Posts

শাঁখা-সিন্দুর বিতর্ক

Image
  হিন্দু মতে বিয়ে হলেই কি মেয়েদের শাঁখা-সিন্দুর পড়া কি বাধ্যতামূলক?  না হিন্দু শাস্ত্র কিংবা আইন কোথাও উল্লেখ নেই এমন কোনো নিয়মের। সম্প্রতি আসামের গৌহাটি হাইকোর্টের একটি মামলার বিচার এই বিষয় নিয়ে বিতর্কের সঞ্চার হয়েছে। ঘটনাক্রম অনুযায়ী এক দম্পতি ২০১২ সালে বিবাহ সম্পন্ন করেন। তারপর থেকে একসাথে থাকা নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অশান্তি শুরু হয় এবং পরের বছর থেকে তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন। পরবর্তী কালে মহিলাটির স্বামী পারিবারিক আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদ চাইলে আদালত সেই আবেদন খারিজ করেন কারন ভারতীয় বিবাহ রীতিতে কোনো আইনে উক্ত সমস্যা না হলে বিবাহ বিচ্ছেদ করা যায় না। কিন্তু পারিবারিক আদালতের রায়ের বিপক্ষে গৌহাটি হাইকোর্টে মামলা করেন ওই ভদ্রলোক। সেই মামলার রায় এ আদালত বিবাহ বিচ্ছেদ মঞ্জুর করতেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বলা হয় বিবাহিতা ওই মহিলা শাঁখা সিন্দুর না পরাতেই এটি স্পষ্ট যে তিনি বিবাহিত সম্পর্ক অস্বীকার করছেন। এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদে সামিল হন অনেকে। কিন্ত মামলার রায় সঠিক ভাবে বর্ণণা করে বলা হয় যে মহিলা তাঁর একটি বিবৃতিতে জানান যে তিনি তাঁর স্বামী কে স্বামী হিসেব...

OLD WOMEN

Image
"anth bhi mai, arambh bhi mai" আড়াই বছরে শুরু নিজের জীবনের, প্রথম পা ইস্কুলের নার্সারিতে। নিয়মিত প্রতিবছর এক ক্লাস উঁচুতে, ভাবনা র স্তর ও। দেখতে দেখতে ১৩-১৪ টা বছর পেরিয়ে ইস্কুল এর গণ্ডি পেরোলেও পড়াশোনা র মায়া কাটেনা। পয়সা র মায়া বাড়তে থাকে। চাকরি পেলে বিয়ে টা সারতে ই হয়, নিজের ইচ্ছায় না হলে ও বাবা মায়ের কথা রাখতে। কিন্তু মধ্যবিত্ত আমরা সংখ্যা এ সবচেয়ে বেশী আমরা বড়লোক হতে গিয়ে চাকরি র নেশা এ ভুলে ই যায় যে যাকে বিয়ে করে বাড়িতে এনেছে তার প্রতি কর্তব্যবোধ, ওই লৌকিকতা র খাতিরে যে টুকু তাতে ই ছেলে মেয়ে বড়ো হয়ে যায়। যেই বাবা মা র সাথে জীবন কাটানো যাদের সপ্ন পূরণের জন্য তার কিছুতে আজ কমতি নেই তারাও একদিন ছেড়ে চলে যান না ফেরার দেশে। তারপর আরও টাকা দরকার সন্তান এর প্রতি কর্তব্যবোধ এর জন্য, কিন্তু টাকা আর কর্তব্যবোধ এর বাইরে যে সম্পর্ক টা চায় ছেলে মেয়ে রা সেটা অনেক সময় ই বাবা মা কেউই দিতে সক্ষম হন না। দেখতে দেখতে আবার সেই cycle এ ফিরে যাওয়া এবার পরের বংশ র। আস্তে আস্তে তাদের বিয়ে, তখন গিয়ে সেই বৃদ্ধ বোঝে তার একাকিত্ব টা। সারাজীবন যেই চাকরি যেই টাকা র পিছনে ...

সম্পর্কে Lockdown

Image
বিশ্বজুড়ে করোনা সংকট, সকলেই গৃহবন্দী। সময়ের সঙ্গে ছুটে চলার রোজনামচা মানুষ ভুলতে বসেছে প্রায় তিন মাস। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পরিবারকে এক ছাতায় এনেছে Lockdown। অনেক দিন পর খাবার টেবিলে একসাথে গোটা পরিবার। আশা করা যায় এই করোনা আবহ পরিবারের বাঁধন শক্ত করবে, করছেও। কিন্তু উল্টো ছবির চোখরাঙানিই ক্রমশ বাড়ছে আমাদের ভারতবর্ষে। পরিসংখ্যান বলছে lockdown এর সময়ে আমাদের দেশে চরম মাত্রা নিয়েছে গার্হস্থ্য হিংসা, অত‍্যাচার, দাম্পত্য কলহ। অত‍্যাচারিতের তালিকায় অবশ্যই মহিলা এবং শিশুর সংখ্যা বেশি থাকলেও পুরুষরা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন তাও কিন্তু না।  ২০-৩১ মার্চ অর্থাৎ lockdown এর প্রথম সপ্তাহে চাইল্ড লাইন ১০৯৮ এ সারা দেশ থেকে ৯২০০০ এর ও বেশি ফোন এসেছে। মহিলা কমিশনে শুধুমাত্র এপ্রিলে ৩১৫ টি পারিবারিক হিংসার অভিযোগ এসেছে। এই পরিসংখ্যান গ্রাফ এখনো ঊর্ধ্বমুখী।  এই অবস্থা শুধুমাত্র ভারতবর্ষে তা ভাবলে ভুল হবে, বিশ্বব্যপী একই ছবি দেখা গেছে।  কারন হিসাবে মনবিদরা বলছেন, করোনা আবহে হঠাৎই প্রতিটা মানুষের দৈনিক ব‍্যাস্ত জীবন থমকে গিয়েছে। চার দেওয়ালে আটকে থেকে অনেকাংশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিজস্ব sp...

SCIENCE BEHIND THE SCENE

Image
picture courtesy -internet Bangles are traditional wear of Indian women and girls. One of the most important ornament in life of a Indian married women above any caste and religion. there are many superstitious proverb behind this that we all know. from the Vedic period its regarded as the strength of women, and  there are some shocking secrets which lie behind this tradition.  in ancient days men used to do heavy muscle works and women used to sit back at home and not doing much physical work so there is a chance of high blood pressure, which may lead to impatience, anger and depression.   #scientific clauses 1. It increases the blood circulation level as the bangles and wrists are in constant fiction with each other. 2. if we come to our tradition, a women gets bangles as gift during her baby shower (function that organized during the 7th month of pregnancy). according to the scientific study the cell of a foetus start developing in the 7th month of pregnancy and t...

দুই চাকা

Image
সৌজন্যে ইন্টারনেট বর্তমানে গোটা বিশ্ব অনবরত লড়ছে এক অচেনা অদেখা ভাইরাসের সঙ্গে। পৃথিবীজুড়ে দিন দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। চিকিৎসকরা বলছেন মানুষ থেকে মানুষে অতি দ্রুত এই রোগ ছড়ায় এবং সংক্রামিত হয় ব‍্যাপক হারে। এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার ওষুধ তৈরীতে ব্যাস্ত প্রায় সব দেশ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন রোগের হাত থেকে বাঁচতে হলে মানতে হবে সোশ্যাল ডিস্টেনসিং(socail distancing)। প্রতিটি দেশ এই ভাইরাস প্রতিরোধে দেশব্যাপী লক্ ডাউন পালন করেছে। কিন্তু দেশগুলির আর্থনীতি বাঁচাতে মানুষকে ফিরতে হবে তার কাজে। এই অবস্থায় বিশ্বব্যপী মানুষ যতটা সম্ভব গনপরিবহন এড়িয়ে চলতে চাইছেন। আর এই অবস্থায় ত্রাতা হয়ে উঠেছে  দুচাকার যান- সাইকেল। দুটো মাত্র সরু চাকার ওপর দুর্দান্ত ব্যালেন্স করে সীটের ওপর উঠে বসে দু পায়ে প‍্যাডেলের ওপর চাপ দিলেই ব্যাস। চাকা গরায়। যতদূর ইচ্ছে চড়ে যাওয়া যায় সহজেই। গন সড়ক পরিবহনে বাস টেক্সি অটো কিংবা মানুষের নিজস্ব গাড়ি বা মোটর সাইকেল, এসবের উৎপাতে পরিবেশের প্রান যখন ওষ্ঠাগত, তখন দু চাকার দূষণহীন হালকা অল্প জায়গার এই যান যেন আশীর্বাদ। একজন বা দুজন অনায়াসে গন্তব্যে পৌঁছতে পারে। ...

ইস্কুল-বাড়ি

Image
🏫 জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তর। আমরা কেউ গার্লস বা বয়েজ অথবা co-ed স্কুল এ পড়েছি বা পড়ছি, তা এই স্কুল জীবন টা আমাদের কাছে একটা অদ্ভুত আবেগ। স্কুলের সমস্ত বন্ধুদের সাথে হয়ত যোগাযোগ থাকেনা, স্কুল শেষের পর সবাই নিজের জীবনে ব্যাস্ত, কেউ দিল্লী, কেউ Bangalore, কেউ বা কলকাতা তেই। শার্ট সাইন করে  একসাথে ১২ পাশ করার পর কেউ ডাক্তারি কেউ উকিল কেউ বা ড্রইং। জীবনের ব্যস্ততা তে আমরা সবার সাথে প্রতিদিন কথা না বললেও কোথাও না কোথাও তাদের কথা মনে পড়ে, টিফিন এর আগে ই আমাদের টিফিন হয়ে যেত। দ্বিতীয় ক্লাসের টিচার এসে র চক খুঁজে পেতোনা যেগুলো দেওয়ালে, বেঞ্চে নাম লেখার কাজে ব্যাবহার হয়ে যেত, টিচার এর অনুপস্থিথিতি তে হাই বেঞ্চ এ বসে আড্ডা, গানের লড়াই, বাড়ি ফেরার সময় স্কুলের গেট এর ফুচকা, ছোট হলেও এইসব স্মৃতি গুলো হৃদয় এর অনেক কাছের। এত ভালো বন্ধুত্বের স্বাদ হয়ত এর পরে পাওয়া যায়না। Teen-age টাও আমরা স্কুলেই কাটাই, চিন্তাধারা, মানসিকতা গড়ে ওঠার পেছনে বাবা- মা র সাথে সাথে স্কুলের  অনেকটাই  অবদান আছে। সাধারণ বৈশিষ্ট্য হিসাবে অন্য লিঙ্গের প্রতি একটা আকর্ষণ তৈরি হয়, জ্ঞান হওয়া ...

এক কাপ চায়ে...

Image
❤ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা পোস্ট মাঝেমধ্যেই দেখা যায় ,"বাঙালির মাথার যন্ত্রণায় ওষুধ নয় চা লাগে," সকাল বেলা অ্যালার্ম শুনে ঘুম থেকে উঠে অফিস বা কলেজ যাবার তারাই থাক, কিংবা ছুটির দিনের আলসেমি, যাই হোক, বাঙালি চা ছাড়া চলতে অক্ষম। আবার বিকেলে ছোটোখাটো ভাতঘুম দিয়ে উঠে বা সিরিয়াল দেখতে বসে হাতে চায়ের কাপ ছাড়া কি চলে? সকাল বা বিকেলের কথা হলেও এই সুস্বাদু গরম পানীয় টি খাওয়ার বাঙালির নির্দিষ্ট কোনো সময় বাঁধা থাকে না। কলেজের অফ ক্লাসে বা বস্ এর চিৎকার শোনার পর চা নতুন আমেজ আনে। তবে দুধ চা বা লিকার চায়ের মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ তাই নিয়ে অনেক তর্ক চলে আবার স্বাস্থ সচেতন মানুষ আরও অনেক ধরনের চা নিয়ে বিশ্লেষন করেন। তবে ভারত তথা গোটা দুনিয়ায় চায়ের আদর কম তা কিন্তু না। বিজ্ঞানসম্মত নাম- ক্যামেলিয়া সিনসেসিস। ইতিহাস- স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় এই গরম পানীয় এক ধরনের পাতা থেকে বানানো হয়। চীনে প্রথম এর অভ্যেস শুরু হয় সম্ভবত খ্রী: পূ: ১০ ম শতাব্দী তে। গ্রীক দেবী থিয়া র নাম অনুসারে চায়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল টি, চীনে এটির উচ্চারণ ছিল চি সেখান থেকে আসে চা। ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে চীনে বাণিজ্যিকভাবে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়। ...